“ঘুমকথা”

তাহিতি ফারজানা

“ঘুমকথা”< /strong>

ঘুমোতে গেলে তুমি অ্যামাজন হয়ে উঠো
সহস্র কথার ছোবল বয়ে চলে ধমনীতে
মহানিস্তব্ ধতায় পড়ে
পাখার ঘূর্ণনকে ভাবো ঝড়।

ঘুমোতে গেলেই ঘুম এক সুস্বাদু তরল, নিরুদ্দেশà¥
ভাবো নিজেকে পথচ্যুত খাদ্য ও খাদকের শৃঙ্খলে।
ক্রমশ স্তব্ধতা কখনো হেলুসিনেশঠ¨
যেন কাউকে বাঁচানোর চেষ্টায় নিজেকে ভুলে যাচ্ছ,
শুকনো পাঁজরে লেপটে ধরছো কিছু একটা-
দারুণ ভয়ে।
আসলে সে তুমি!

যে রোজ ঘুম ভেঙে দেখে
চুরি গেছে আস্ত সকাল...



â€œà¦ªà§à¦°à¦¤à¦¿à¦¶à§à °à§à¦¤à¦¿â€

না রাখা প্রতিশ্রুত িদের
আপনি ফাঁসিতে ঝুলাবেন না
মহামান্য বিচারক।

মুখ থেকে আলাদা হয়ে কাঁটাতারে চড়ার পর
ওদের নেই পালানোর পথ অথবা
শিরদাঁড়া সোজা করার।

বরং তৃষ্ণার্ত রাখুন
অপদস্থ না করে।

নিখুঁত নির্জনে
অসম্ভবকে ব্যবচ্ছেদ করে দেখুন-
ওদের হয়ে উঠার আকুতি
আপনার ভিত কাঁপিয়ে দেবে।



“সবুজ বিষণ্ণতা”

ভোরের ষ্টেশনে চায়ের টুংটাং—
দশ পেরনো পেপারবালকৠ‡à¦° হাঁক
ধুয়ে দেয় অন্ধকার।

ফের কেউ জ্বলে থাকে মোমদানিতেॠ¤

ভিড় বাড়ছে এইখানে
এ পাড়ায়, সংবেদী স্নায়ুগুলৠথাকে
নিয়ম করে স্নানাহার সাড়ে প্রত্যহ।

আপেল নামে খ্যাত
প্রতিটি সবুজ বিষণ্ণতা
গোগ্রাসে গিলছে-

জ্বলতে থাকা মোমদানি শরীর।